একজন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি

আাফছার উদ্দিন ফরিদ ।।

 

গল্প বা উপন্যাসে পড়েছিলাম হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার কথা। বাস্তেবে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি। যিনি ভোলা-৩ আসন (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছেন।
দ্বীপবন্ধু খ্যাত বর্তমান সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় রাজনীতির সফলতা ফেরিয়ে এখন লালমোহন উপজেলা আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ।
করোনা যখন পৃথিবীকে এলোমেলো করে দিচ্ছে ঠিক তখন দ্বীপবন্ধু নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি গরীব, অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। লালমোহন-তজুমদ্দিনের প্রতিটি জনপদে সাধারণ মানুষের খোঁজ নিয়েছেন জনতার শাওন ভাই। করোনা কালীন সময়ে যারা করোনায় আক্রান্ত হত তাদের জন্য খাবার নিয়ে যেতেন তিনি নিজেই। তজুমদ্দিন উপজেলাতে একটি গরীব মেয়ে করোনা কাক্তান্ত হওয়ার পর সকল খরচ বহন করেন দ্বীপবন্ধু নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ভাই, সুস্থ হয়ে উঠার অনেক দিন পর  সে যখন মারা যায় তখন ও দাফন কাপনের সকল খরচ বহন করেন দ্বীপবন্ধু নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি। আচ্ছা  জনপ্রতিনিধি কি লালমোহন- তজুমদ্দিন বাসি পেয়েছে ??
এক সময় লালমোহন- তজুমদ্দিন ছিল অবহেলিত জনপদ তা এখন শান্তির নীড়ে পরিনত হয়েছে। নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন লালমোহন-তজুমদ্দিনের মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকায় সাধারণ মানুষ তাকে “দ্বীপবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করেছেন।
জীবনের মায়া ছেড়ে মমতাময়ি মায়ের আধরের নূরুন্নবী কি এক দিনের তৈরি????
নিজের জীবন বাজি রেখে মা বাবার আদরের এইনুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জীবন বাজি রেখে প্রতিটা মূহুর্ত মরনের সাথে যুদ্ধ করে আজকের এই ক্ষমতায় আসতে অবদান রাখেন
বাংলার কোটি তরুনের অনুপ্রেরণা
রাজপথ থেকে মহান জাতীয় সংসদ
ছাত্রলীগ কর্মী থেকে নন্দিত জননেতা
দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি
১১৭, ভোলা – ৩।
মাত্র পনেরো বছর বয়সে রাজনীতিতে হাতে খড়ি।ঢাকার মধুবাগে একজন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে আশির দশকে রাজনৈতিক জীবনে পা রাখেন সেদিনের মুজিব পাগল এক দুরন্ত কিশোর। মিছিল, মিটিং, সভা, সমাবেশ সব কিছুতেই ছিল তার সরব উপস্থিতি। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই দুরন্ত কিশোর সবার নজরে আসেন তার মেধা, মননশীলতা, তেজোদৃপ্ততা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে।
এভাবেই জাতির পিতার দর্শন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দেখানো পথে মুজিব রনাঙ্গনের একজন বীর সেনানী হিসেবে রাজনীতি তে যাত্রা হয় এক অকুতোভয় বীর যোদ্ধার। তারপর কেবলি ইতিহাস।
যে মাটিতে প্রিয়নেতা পা ফেলেছেন, সে মাটিকেই তিনি আওয়ামীলীগের দুর্গে পরিনত করেছেন। রমনা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হবার পর পুরো রমনা ও তেজগাঁও কে ছাত্রলীগ তথা আওয়ামীলীগের ঘাঁটিতে পরিনত করেছিলেন মুজিব  আদর্শের এই বিপ্লবী বীর সেনানী।

৯১’ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশের কলেজ সংসদ গুলোতে যখন ছাত্রদল একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে নিচ্ছিল ঠিক সেই সময় ঢাকার বহুল আলোচিত সিদ্বেশ্বরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ভিপি নির্বাচিত হয়ে সারা বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন এই ডাকসাইটে ছাত্রনেতা।বিরোধী দলে থেকে পরপর দুইবার ভিপি নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড বাংলাদেশে আর কারোেআছে কিনা আমার জানা নেই। যে বিরল সম্মান অর্জন করেছেন জননেতা আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।

৯৬’ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভাত ও ভোটের অধিকার আন্দোলনের সময় আবারো নিজেকে চিনিয়েছিলেন এই রাজপথ কাঁপানো বিপ্লবী ছাত্রনেতা। ঢাকার রাজপথ অচল করে দিয়েছিলেন দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে। ২০০১’ সালে বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর এই বিপ্লবী ছাত্রনেতার পুরো পাঁচটা বছর কেটেছে রাজপথের আন্দোলন আর জেলখানায়। তারপরও এই বিপ্লবী কারো কাছে মাথানিচু করেননি।
২০০৬’ সালের ডিসেম্বরে তার নেতৃত্বে কয়েক হাজার ছাত্রজনতা ঢাকার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে সচিবালয় ও পুরো গুলিস্তান এলাকায় তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেন যা জনবিস্ফোরণে রুপ নেয় সারা গুলিস্তান , রমনা, তেজগাঁও ও পুরানা পল্টন এলাকায়। যে গণবিস্ফোরনের কারনণ সেদিন পল্টনে জামাত-শিবির তাদের জনসভা রেখে পালিয়েছিল।
১/১১’ এর সময় দলের সবচেয়ে কঠিন মূহুর্ত, কারণ ফখরুদ্দীন /মঈনুদ্দীনরা মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কারাগারে প্রেরন করেন। সেই সময়ে আওয়ামীলীগের অনেক বাঘাবাঘা নেতারা যখন চুপচাপ ঘরে বসে ছিলেন, ঠিক তখনো আর্মি ও ফকরুদ্দিনদের রক্ত চক্ষুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য আন্দোলন করে ঢাকার রাজপথ কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন এই বিপ্লবী যুবনেতা।
ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিন এর বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক হয়ে মাত্র ২ বছরের মধ্যে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিন কে বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় সংগঠনে পরিনত করেন। নিজেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন ও বিশ্বস্ত হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন রাজপথের সফল আন্দোলন ও অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা দিয়ে । তারপর রচনা হলো ইতিহাসের মাহেন্দ্রক্ষণ।
২০১০’ সালের ২৪শে এপ্রিল ভোলা -৩ আসনের উপ-নির্বানের তারিখ ঘোষনা করে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন। দীর্ঘ ২০/২৫ বছরের রাজপথে পরিক্ষিত ও বিজয়ী সেনানী,তৎকালীন ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগ এর বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, ডাকসাইটে যুবনেতা জনাব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ভোলা-৩ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ঘোষনা করে দল থেকে মনোনয়ন দেন। সেদিন থেকেই লালমোহন-তজুমদ্দিনের আকাশে পূর্বদিগন্তের লাল সূর্যের মতো এক সূর্য সন্তানের আবির্ভাব হয়।
২০১০’ সালের ২৪শে এপ্রিল এক অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেজর হাফিজকে পঞ্চাশ হাজারের বেশী ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হোন জননেতা নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। এমপি নির্বাচিত হয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি লালমোহন-তজুমদ্দিনে রাজনৈতিক সহবস্থানের ডাক দেন।
২০০১’ সালে বিএনপি যে অত্যাচার নির্যাতন এখানে করেছিল তার জবাব হিসেবে জননেতা আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন কাউকে অত্যাচার করেননি, কাউকে এলাকা ছাড়া করেননি। বিএনপির অন্যায় অত্যাচারের বিচার জনতার আদালতে তুলে দেন প্রিয়নেতা। লালমোহন-তজুমদ্দিনের বৃহৎ উন্নয়নের স্বার্থে বৃহৎ ঐক্যের ডাক দেন। তার এই মহৎ উদ্যেগের জন্য তিনি সারা দেশে প্রশংসিত হন।
তিনি হিংসার রাজনীতির পরিবর্তে লালমোহন-তজুমদ্দিনে শান্তির রাজনীতির ডাক দেন। সবার কাছে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেন। বিএনপির সময় যে জনপদকে সারা বাংলার মানুষ চিনতো সন্ত্রাস ও ধর্ষণের জনপদ হিসেবে, সেখানে এমপি হওয়ার পর সারা বাংলাদেশ লালমোহন-তজুমদ্দিন কে চিনলো শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির জনপদ হিসেবে। যার পুরো কৃতিত্ব জননেতা আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের।
এমপি নির্বাচিত হবার পর লালমোহন-তজুমদ্দিনের পাঁচলক্ষ মানুষের আরাধনার স্বপ্নপুরুষে পরিনত হন এই জননেতা। প্রিয়নেতার উদারতা, সরলতা, মহানুভবতা, দানশীলতা ও সাধারন মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে অল্পদিনেই তিনি হয়ে উঠেন তুমুল জনপ্রিয়।
এতোটাই জনপ্রিয় যে, এই জনপদের পাঁচলক্ষ মানুষ প্রিয়নেতাকে ভালোবেসে দ্বীপবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন। সেই থেকেই তিনি দ্বীপবন্ধু হিসাবে সারা বাংলাদেশে পরিচিতি লাভ করেন। বাংলাদেশে দ্বীপবন্ধু বলতে মানুষ এখন জননন্দিত জননেতা আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকেই চিনে।
দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ২০১৪’ সালের ৫’ই জানুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। এই আসনের এমপি হিসেবে কিছুদিন আগে প্রিয়নেতার দশবছর পূর্তি হয়। গত দশবছরে লালমোহন-তজুমদ্দিনে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন তিনি করেছেন তার এক কানাকড়িও মেজর হাফিজের ২২ বছরে হয়নি।
লালমোহন-তজুমদ্দিন আজ শান্তির ও সম্প্রীতির জনপদ। এখানে আজ কোন চাঁদাবাজি নেই, কোন রাজনৈতিক সন্ত্রাস নাই, কোন হামলা-মামলা নেই, কোন জবরদখল নাই, কোন মাদকের কালোহাত নেই, কোন ইভটিজিংনেই। লালমোহন তজুমদ্দিন আজ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা হওয়ার পথে।
লালমোহন-তজুমদ্দিন আজ এক উন্নয়নের বরপুত্রের নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। লালমোহন তজুমদ্দিন আজ সারা বাংলাদেশে উন্নয়নের রোলমডেলে পরিনত হয়েছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোন জননেতা এই জনপদের পাঁচলক্ষ মানুষকে এক কাতারে আনতে পেরেছেন। এই জনপদের পাঁচলক্ষ মানুষের আস্থা,বিশ্বাস ও ভালোবাসার শেষ ঠিকানা আজ জননন্দিত জননেতা দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি।
কারন, লালমোহন তজুমদ্দিনের সব মসজিদ, মন্দির ও এতিমখানায় গত দশবছর প্রিয়নেতা কোটি কোটি টাকার ব্যক্তিগত সাহায্য করেছেন। শতশত বেকার যুবককে বিনা পয়সায় চাকুরী দিয়েছেন। শতশত দলীয় নেতাকর্মী ও হাজার হাজার সাধারন মানুষকে গত সাতবছরে কোটিকোটি টাকার চিকিৎসা সাহায্য করেছেন।
এই জনপদের শতশত কন্যাদায়গ্রস্থ পিতাকে কন্যার বিয়ের জন্য আর্থিক সাহায্য করেছেন। গত দশবছর পর্যন্ত বিশ্ব এজতেমার মুসল্লীদের জন্য নিজ খরচে লঞ্চের ব্যবস্থা করেছেন। হাজার হাজার এজতেমার মুসল্লীদের খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন নিজে উপস্থিত থেকে। অথচ মেজর হাফিজ ২২ বছর এমপি ছিলেন, কিন্তু জীবনে কোনদিন এজতেমার মুসল্লীদের কোন সেবা করেননি।
লালমোহন-তজুমদ্দিনে ব্যক্তিগতভাবে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন প্রিয়নেতা । লালমোহন-তজুমদ্দিনে অনেক গুলি এতিমখানা চলে প্রিয়নেতার ব্যক্তিগত অর্থায়নে। গত দশ বছরে সব কয়টা ঈদে প্রিয়নেতা এলাকার হাজার হাজার গরীব দুঃখী মানুষকে কোটি কোটি টাকার যাকাত প্রদান করেছেন।লালমোহনে তৈরী করেছেন দৃষ্টিনন্দন সজীব ওয়াজেদ ডিজিটাল পার্ক। মাদক থেকে দুরে রাখার জন্য বিভিন্ন খেলার আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন।
ঢাকায় অবস্থান রত ছাত্র-ছাত্রীদের সব সময় সহযোগিতা করে থাকেন দুই উপজেলার দুটি সংগঠন, ঢাকাস্থ লালমোহন থানা ছাত্র-ছাত্রী কল্যাণ সমিতি ও ঢাকাস্থ তজুমদ্দিন থানা ছাত্র-ছাত্রী কল্যাণসংসদ । এ দুটি সংগঠনের মাধ্যমে রক্তদান, অর্থ, ইফতার, শিক্ষা সফর সহ সকল প্রকার সহযোগিতা করে আসছেন ছাত্জর-জনতার এমপি শাওন ভাই।
আইসিটি ক্ষেত্রে করেছেন ব্যাপক উন্নত, তিনি দুটি ফ্রি আইসিটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ভাইয়ের বড় ছেলে ইশরাক চৌধুরী নাওয়াল কে আইসিটি উপদেষ্ঠা হিসেবে দ্বায়িত্ব দিয়ে আইসিটি খাত কে আরো গতিশীল করেছেন।
বন্যা প্লাবনে সরকারের পাশাপাশি কোটি কোটি টাকার নগদ সাহায্য করেছেন বন্যার্তদের যা আমরা সবাই দেখেছি। অথচ হাফিজ সাহেব জীবনে একটি ঈদও লালমোহনের মানুষের সাথে করেননি, যাকাত দেয়া তো অনেক দূরের কথা।
মেঘনার হাত থেকে লালমোহন-তজুমদ্দিনকে রক্ষার জন্য দুই উপজেলায় মোট ৫৮০কোটি টাকার ব্লকের কাজ করাচ্ছেন, অথচ মেজর হাফিজ পানি সম্মপদ মন্ত্রী ছিলেন কিন্তু এক টাকার ব্লকের কাজ করতে পারেননি। লালমোহন-তজুমদ্দিনে আজ কোন সাঁকো নাই। সব জায়গায় ব্রীজ, কালভার্ট নির্মান করেছেন প্রিয়নেতা। এমন কি হাফিজ সাহেবের বাড়ীর দরজার সাঁকোটি প্রিয়নেতা ব্রীজ করে দিয়েছেন।
মেজর হাফিজ ২২বছর এমপি ছিলেন, কিন্তু লাঙ্গলখালী ব্রীজটি করতে পারেন নাই, অথচ এমপি হবার দুই বছরের মাথায় এই গুরুত্বপূর্ণ ব্রীজটি প্রিয়নেতা দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন নির্মান করেছেন।
প্রিয়নেতার অভূতপূর্ব উন্নয়নের ও রাজনৈতিক উদারতার কারনে তিনি আজ সবার বিশ্বাসী নেতা হিসেবে পরিনত হয়েছেন। একজন এমপি হয়েও তিনি নিজেকে সাধারন জনতার কাতারে রেখেছেন একজন সেবক হিসাবে, শাসক হিসাবে নয়। আজ এই জনপদের পাঁচলক্ষ সাধারন মানুষকে নিয়েই প্রিয়নেতার পরিবার।
লালমোহন তজুমদ্দিনের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, উন্নয়নের বরপুত্র, দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে এই জনপদের ৯০% মানুষ ভালোবাসে ও বিশ্বাস করে। গত দশ বছরে প্রিয়নেতা মানুষকে যা ওয়াদা করেছেন তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করেছেন। মানুষের বিপদে পাশে থেকেছেন কারো ভাই হয়ে, কারো সন্তান হয়ে ।
তাই এই জনপদের ৯০% মানুষ আগামী নির্বাচনেও প্রিয়নেতা দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপিকে  নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী করে মহান সংসদে পাঠানোর জন্য দৃঢ়ভাবে সংকল্পবদ্ধ। শুধু তাই নয় এই এলাকার পাঁচলক্ষ মানুষ তাদের প্রিয়সন্তানকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। এটা আজ লক্ষলক্ষ মানুষের প্রানের দাবী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে ।
আর এভাবেই সেদিনের সেই মুজিব পাগল কিশোর ছেলেটি আজকের নন্দিত জননেতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজের কর্মগুনে। তার জন্য তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে রাজপথের আন্দোলন, সংগ্রামের সুদীর্ঘ ত্রিশটি বছর। একজন ছাত্রলীগ কর্মী থেকে থানা সভাপতি , ভিপি। পরবর্তীকালে সারা বাংলার নন্দিত যুবনেতা হয়েছেন।হযেছেন একজন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা ।
আজ লালমোহন-তজুমদ্দিনের পাঁচলক্ষ মানুষকে ভালোবেসে, মানুষকে বুকে টেনে নিয়ে, মানুষের বিশ্বাসী হয়ে জননন্দিত জননেতা হয়েছেন দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি। যার একমাত্র রাজনৈতিক শিক্ষক বাংলার ষোলকোটি মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার শেষ ঠিকানা দেশরত্ন, গনতন্ত্রের মানসকন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা ।
জননেত্রী শেখ হাসিনার চেতনার শিখা অনির্বাণ
জননেতা আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয়তু শেখ হাসিনা
জয় দ্বীপবন্ধু আলহাজ্জ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি।

 

লেখকঃ সভাপতি, ঢাকাস্থ তজুমদ্দিন থানা ছাত্র-ছাত্রী কল্যাণ সংসদ।