ঝালকাঠির নলছিটিতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন

 

মোঃ শাকিল হোসেনঃ

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের তেঁতুল বাড়ীয়া , গ্রামে স্থানীয় কৃষক মোস্তফা মোল্লার পুত্র সোলায়মান সোহাগ ২৭ এর বসতঘরের আড়ায় গলায় ফাঁস লাগানো মৃত্যু নিয়ে গত ১৭জুলাই নলছিটি থানায় ইউডি, মামলা ও ১লা আগষ্ট ঝালকাঠি সিনিয়র চিফজুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, আদালতে হত্যা মামলা দায়ের হওযায় এলাকার সাদারন মানুষের মাঝে এ চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয় ।

মামলা সূত্রে প্রকাশ , গত ১৭ জুলাই ২০২০ নলছিটি উপজেলার তেতুলবাড়ীয়া গ্রামে স্থানীয় কৃষক মোস্তফা মেলার পুত্র সোলায় মান সোহাগ রাত আনুমানিক ৯টায় সময় একাকি ঘরের ভিতরে আড়ার সাথে ফাঁস লাগানো জুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় একপযায় তার পিতা দ্রুত ফাঁস লাগানো রশি কেটে ঘরের মেঝেতে রাখেন এবং থানা পুলিশ এসে রশি কাটা অবস্থায় সুরতহাল করে নলছিটি থানায় নিয়ে যায় , সেখানে মৃত্যুর পিতা ,বাদী হয়ে অপমৃত্যু মামলা করেন তার মতের বিরুদ্দে বলে আদালতের মামলায় উলেখ করা হয়েছে। পরে নলছিটি থানা পুলিশ লাশের ময়না তদন্ত করার জণ্য ঝালকাঠি সদরে প্রেরণ মর্গে করেন। এক পর্যায়, মৃত্যুর পরিবার ১লা আগষ্ট আদালতে একই ঘটনায় সোলায় মান সোহাগ কে হত্যা করা হয়েছে বলে ৯ জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন্। আদালত মামলার তদন্ত পূর্কব প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন । নলছিটি থানা পুলিশের তদন্তের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায় মামলাটি রুজু করার পরে সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হইলে উক্ত উক্ত হাসপাতালে ডাক্তার মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান অয়ন মৃত্যুর ময়নাতদন্ত শেষে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ভিসারা সংরক্ষণ করিয়া রাসায়নিক পরীক্ষাগার, বাংলাদেশ পুলিশ সিআইডি মহাখালী ঢাকা প্রেরণ করেন । মৃত্যুর পিতা মোস্তফা মোল্লা রাসায়নিক রিপোর্ট অপেক্ষা না করিয়া 9 জনের বিরুদ্ধে একটি সি,আর মামলা দায়ের করেন ।চৌকিদার হারূন মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে আমি ডাকচিৎকার সুনতে পাই ,আমার বাড়ি থেকে মোস্তফা মোলার বাড়ি কাছাকাছি তাই দ্রত ছুটে গিয়ে দেখতে পাই তার পুত্র উত্তরদিকে মাথা দিয়ে মাটিতে সুয়ে রাখা হয়েছে। এবং তার হাত বাকানো অধেক রশি গলায় ফাস সহ অধেক আড়ার সাথে আটকানো এর কিছু ক্ষন পর মোলারহাট পুশিশ ফারির, পুলিশ এসে লাশের সুরতহাল করেেএবং রশি কাটা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মৃত্যুর পিতা রশি কেটে নিচে নামিয়েছে বলে পুলিশকে জানান সকলের সামনে পুলিশ সে সময় জানতে চায় মৃত্যুর লাশ জুলন্ত অবস্থায় কাউ দেখেছে কিনা তখন তার পিতাই দেখে লাশ নামাইছে বলে জানান, পরে এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হলেও বর্তমানে পূর্বের বিরুধীতা চলতে আসা আপন ভাই তার পরিবার জরিয়ে মামলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।অপরদিকে ইউনিয়র আনসার কমান্ডার ,মোশারফ হোসেন ,জানান্ ঘটনার দিন আমি জানতে পারলেও পরের দিন সকালে তাদের বাড়িতে যাই তখন লাশ নলছিটি থানা পুলিশের কাছে জানতে পারি এবং থানায় গিয়ে মৃত্যুর পিতার সাথে দেখাকরি ঘটনার বিবরন জানতে পারি এবং তার অপমৃত্যু মামলার সময় আমি ছিলাম তখন তো সে নিজেই বলেছিলো তার পুত্রই ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছ। তাছারা পূর্ব থেকে সোলায় মান মানুষিক রোগী ছিল বিধায় তার ত্রী তাকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিবাহ করেছেণ। ওর চিকিৎসার জন্য বরিশাল মানুষিক রোগ হাসপাতালে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুপারিশ করে প্রথ্যায়ন পত্র দিয়ে ছিলেন। বর্তমান মামলার বিষয় তিনি জানান, ঝালকাঠীর জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার সাহেব, তদন্ত করছেণ আমি সে খানেও ছিলাম ।

এলাকার বাসিন্দাদের নিকট জানতে চাইলে তারা জানান, আমরা কিছু বলবো না আপন ভাইকেই আসামী করা হয়েছে আমরা ভয়ে আছি কখন আসামী হই পুলিশ ভালো ভাবে তদন্ত করলে আসল ঘটনা জানতে পারবে।

এরিপোর্ট লেখার সময় পুলিশের তদন্ত চলায় তাদের বক্তব্য দেয়া হলোনা আদালতও স্থানীয় উপস্থিতির বকব্য প্রকাশ করা হলো ।

আরও পড়ুন