জামালপুরে প্রতিবন্ধী মেয়েকে হত্যার দায়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

জামালপুরে প্রতিবন্ধী মেয়েকে হত্যার দায়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি নির্মল কান্তি ভদ্র জানান, গত ২০১৪ সালের ২৮ জানুয়ারী বকশীগঞ্জের গাজীর পাড়া গ্রামের নিজ বসতঘর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্তাজ আলীর বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মেয়ে এলে রানীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে খাস জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্তাজ আলীর বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মেয়ে এলে রানী হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত। মঙ্গলবার(২২ সেপ্টম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো: জুলফিকার আলী খাঁন চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায় দেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি নির্মল কান্তি ভদ্র জানান, গত ২০১৪ সালের ২৮ জানুয়ারী বকশীগঞ্জের গাজীর পাড়া গ্রামের নিজ বসতঘর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্তাজ আলীর বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মেয়ে এলে রানীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

 

পরে নিহতের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্তাজ আলী খাস জমিতে ঘর তুলে বসবাস করায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তার প্রতিবন্ধী মেয়েকে হত্যা করেছে এমন অভিযোগে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের আগষ্ট মাসে পুলিশ তদন্ত করে চার্জশীট দিলে আদালত ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করে।

 

রায়ে বকশীগঞ্জের গাজীর পাড়া গ্রামের সাদা মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া (৩৫) কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

 

তাছাড়া এই মামলায় অপর ৩ আসামী আব্দুর রাজ্জাক, মোকছেদুল ইসলাম ও মোমেনা বেগমের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাসের আদেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ মো: জুলফিকার আলী খাঁন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট নির্মল কান্তি ভদ্র, আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুল হক।

টোয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/রনি

আরও পড়ুন