করোনাভাইরাস টানা তিনদিন শনাক্ত তিন শতাংশে

 

রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরো ৩৬৯ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৩৯ জনে। আর একদিনে সুস্থ হয়েছেন আরো ৪৪৭ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ সংখ্যা দাঁড়ালো চার লাখ ৭৯ হাজার ৭৪৪ জনে।

গত বছরের ৪ এপ্রিলের পর ৯ জানুয়ারি সর্বপ্রথম শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ঘরে নামে। এরপর ১৭ জানুয়ারি ৪ শতাংশের ঘরে আসে। তার পরের দুদিন সামান্য বেড়ে ৫ শতাংশ হারে রোগী শনাক্ত হয়। ২০ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শনাক্তের হার থাকে চার শতাংশে। যদিও এর মাঝে একদিন এই হার ৩ শতাংশে নেমেছিল। এরপর ২৯ জানুয়ারি শনাক্ত হয় ৩.৭৬ শতাংশ। গতকালও নামে ৩ শতাংশে। আজ শনাক্তের হার ৩.০২ শতাংশ।

করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ২০৪টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১১৬টি, জিন-এক্সপার্ট ২৮টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৬০টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১২ হাজার ২৮৫ টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ২২৫ টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২২ টি।

এতে আরো জানানো হয়, এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৬৫ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫২ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ, নারী দুই জন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১ জন, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন করে রয়েছেন। সবাই হাসপাতালেই মারা গেছেন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৪ জন, ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুই জন রয়েছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গতবছর ৮ মার্চ। গতবছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গতবছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

আরও পড়ুন