রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে বেড়েই চলেছে কিশোর গ্যাং

 

কাজি আরিফ হাসানঃ

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে কিশোর অপরাধা। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় রাজধানীর উত্তর সিটির আওতাধীন দক্ষিণখান থানাধীন কিছু এলাকায় কিশোর অপরাধ প্রবনতা বেড়েই চলেছে। বর্তমান সমাজে উঠতি বয়সের ছেলেরা সমাজে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ছে এবং সেই সাথে বেপরোয় হয়েও উঠতে দেখাযায়। এ ধরনে উঠতি বয়সের ছেলেদের যেন শাষন করারও কেউ নাই। তথ্য নিয়ে জানতে পারাযায় এ বেপরোয়া হওয়ার কারন একটাই মরন নেশা ভয়াল মাদক। উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা মরণ নেশা গাঁজা,ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে দিনের পর দিন। আর এ নেশার টাকা যোগান দিতে শুরু করেছে চুরি,ছিনতাই,চাঁদা বাজি সহ সমাজের বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মূলক কাজের সাথে তারা জড়িয়ে পড়ছে। এমন কি এ নেশার টাকা জোগান দেয়ার জন্য বাবা-মা,ভাই-বোন এমনকি সমাজের বয়যেষ্ঠদের সাথে অসন্মানও করতে দেখাযায়। এমনকি এলাকায় যদি কোন তুচ্ছ ঘটনাও ঘটে সে ক্ষেত্রেও সমাজে উঠতি বয়সের যুবকরা তার অন্য এলাকা থেকে তাদের সহযোগীদের মুঠোফোনে ডেকে এনে এমন কি তাদের সাথে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতেও দেখা যায় কখনো কখনো। এধরনের উঠতি বয়সের ছেলেরা আবার কেউ কেউ রাজনৈতিক নেতারে ছত্র-ছায়ায় থাকেও এধরনের অপরাধ মূলক কাজে লিপ্ত থাকার কথা জানা গেছে। এর কারনে সমাজে কোন বয়যষ্ঠ ব্যক্তিরাও কিছু বলতে পারেন না। তারা শাসন করা চেষ্ঠা করলে তখন এই উঠতি বয়সের ছেলেরা বলে আমাদের মাথার উপর বড় ভাই আছে কিছুই হবে না। শুধু তাই নয় এ ধরনের উঠতি বয়সের ছেলেরা বিভিন্ন স্কুল-কলেজের(দক্ষিণখান মহিলা কলেজ,গালর্স স্কুল,প্রেমবাগান সংলগ্ন কেসি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ,বঙ্গমাতা স্কুল এন্ড কলেজ,উদয়ন স্কুল,আশকোনাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠন গুলোর সামনে,আইনুছবা চাঁদনগর এলাকা)সামনেও জটলা হতে দেখাযায় যার কারনে অভিভাবকার তাদের মেয়েরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠিয়েও নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন না।এ দিকে এলাকার অভিভাবক বলেন করোন মহামারির কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধা থাকলেও এ ধরনের উঠতি বয়সের কিশোরর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিকাল থেকে রাত ১০ পর্যন্ত জটলা হয়ে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজে লিপ্ত হতেও দেখা যায় এমনকি এধরনের জটলার মধ্যে আবার তারা মরন ব্যধি ইয়াবারও লেনদেন করতে দেখা যায় বলে যানা গেছে। এ সম্যস্যা শুধু দক্ষিণখান নয় সমগ্রহ ঢাকা শহরে পাড়া মহল্লায় মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামনে এ ধরনের উঠতি বয়সের ছেলেদের উশৃঙ্খলতা দেখাযায়। এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারাযায় বর্তমান উঠতি বয়সের ছেলেরা যে কি হয়েছে আমাদের মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়েও খুব দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। আর এ বিষয়ে পুলিশও বা কি করছেন যে একটা মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উশৃঙ্খল,বখাটে ছেলেরা আড্ডাদেয় পিছন থেকে মেয়েদের নাম ধরে ডেকে বাজে আওয়াজ করে। এদের বিরুদ্ধে আবার প্রতিবাদ করতে গেলে তখন তারা আবার এলাকার বড় ভাই অর্থাৎ রাজনৈতিক পর্যায়ে টেনে নিয়ে যায়। শুধু এ ধরনের কিশোররা এটা করেই ক্ষেন্ত নয় তার নেশা করে রাস্তা দিয়ে বেপড়োয়া উচ্চ গতিতে মটরসাইকেল চালিয়েও তার দুর্ঘটনার কবলে পড়তেও দেখা যায়। এছাড়া আরো তথ্য মেলে দক্ষিণখানথানাধীন ও উত্তরখানথানাধী যে সব কিশোররা বেপড়োয় মটর সাইকেল চালায় তাদের আবার মটর সাইকেলের বৈধ কাগজ পত্রও থাকে না এবং এ গুলো দেখারও কেউ নাই। এ ধরনের বেপড়োয় মটরসাইকেল চালক কিশোররা আবার মটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় রাজধানীর প্রধান সড়ক গুলোতে চলা চল করেনা। যার কারনে এলাকার ভিতরেই বিভিন্ন অপরাধ করেই মটর সাইকে চালিয়ে অতি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এদেরকে সমাজে কে শাসন করবে আর কারাই বা এদের শেলটার দাতা ? সে জন্য কয়েক অভিভাবকে বক্তব্য প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে সাদা পোষাকে প্রশাষনের কর্তব্যরত লোক থাকা উচিৎ এবং সেই সাথে প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরসামনে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা রাখা একান্ত প্রয়োজন। এ উঠতি বয়সের উত্তাল যুব সমাজকে এখনই রুখতে হবে এবং ভয়াল মাদকের ছোবল থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে হবে তা হলেই হবে সুষ্ঠ সমাজ। এ জন্য প্রশাষনের সঙ্গে সঙ্গে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বয়যেষ্ঠদের এগিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন