আব্দুল্লাহপুর পরিবহণ শ্রমীক মাফিয়া কে এই নূরু

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

রাজধানীর গুরুত্বপূর সড়কের মধ্যে অন্যতম উওরা আব্দুল্লাহপুর।এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের চলাচলও কর্মসংস্থান। বাংলাদেশর বিভিন্ন পরিবহণ এই সড়কপথ দিয়ে চলাচল করে।আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু পরিবহণ চাঁদাবাজরা এখানে বিশাল একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এই পরিবহণ খাত থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে পরিবহণ মাফিয়া নূরু। মূলত তিনি ঢাকা জেলা বাস মিনিবাস শ্রমীক ইউনিয়নের সম্পাদক।এই কমিটিতে স্পষ্ট লেখা আছে । কোন পরিবহণ খাত থেকে কোন প্রকার চাঁদা নেওয়া যাবে না । কিন্তু কে শোনে কার কথা।শ্যামলী পরিবহনের একজন ষ্টাফ আমাদের জানান,সাপ্তাহ পের হলেই আমাদের ৫০০০ হাজার টাকা নূরু বাহিনীকে দিতে হয়।টাকা না দিলে যে কোন একটি সমস্যা খুজে গাড়ি ভাংচুর করে। আবার অনেক সময় রাস্তাঘাটে গাড়ি বন্ধ করে দেয়।আমরা পরিবহণ চালাতে গেলে এদের সাথে সুসম্পর্ক না রাখলে ব্যবসা করতে পাড়বো না। আমরা তার এই চাঁদাবাজি তে অতিষ্ঠ।আরেকজন পরিবহণ ষ্টাফ আমাদের জানান,নূরু শুধু এখানে একই না, তার সাথে আর সাঙ্গা পাঙ্গা আছে।টাকা না দিলে শুরু হয় ভাংচুর।যাএীরা ভয়ে গাড়িতে উঠতে চায় না।আমাদের কী করার আছে। প্রত্যেকটি পরিবহণ কোম্পানি তাদের হাতে জিম্মি ।এখানে মোট ৩০ থেকে ৩৫ টি পরিবহন কোম্পানি আছে। প্রতি সপ্তাহে নূরু এখান থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা চাঁদা নেন।মাসির ভাবে দেখা গেছে এই চাঁদার পরিমাণ দাড়ায় প্রায় ৫২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।নূরুর গ্রামের বাড়ি চাঁদাবাজি করে গড়েছেন বিশাল অট্টালিকা। ঐ গ্রামের বাসিন্দা আমাদের প্রতিবেদকে জানান,আগে এক সময় নূরু মানুষের বাড়ি কাজ করতো ।কোন রকম দিন কাটাচ্ছিল তারা।গ্রামে তাদের তেমন জমি জমাও ছিলোনা।হঠাৎ করে নূরু চলে গেল ঢাকার শহরে শুনেছি ঐ খানে নাকি কোথায় যেন একটি চায়ের দোকান দিয়ে ছিলো।পরবর্তীতে দুই আড়াই বছরের মধ্যেই অনেক টাকা পয়সার মালিক হয়ে যায় নূরু।তারপর থেকে গ্রামে কম আসে নূরু।প্রতি বছরই নূরু প্রায় ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকার জমি কিনে এখানে। আব্দুল্লাহপুরের একজন ব্যক্তি নাম না জানানোর শর্তে বলেন,নূরু এখানে একটি বাস কাউন্টারের অফিস জোড় করে নিজের কার্যালয় বানিয়েছে।মূলত এখানেই তার চাঁদাবাজির সকল টাকা ভাগবাটোয়ারা করে। নিজেকে পরিবহণ নেতা দাবী করে কোটি টাকার বনে গেছেন নূরু।গড়ে তুলেছেন বিশাল এক সিন্ডিকেট। নুরুকে এই বিষয়ে মুঠোফোনে ফোন দিলে, তিনি আমাদের প্রতিবেদককে জানান, আমি একজন হাজী লোক নামাজ রোজা করি।আমি কোন চাঁদাবাজি করি না। এই সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমার অনেক শক্র আছে।

আরও পড়ুন