বিএনপির ৭৪ নেতাকর্মী জামিন পেলেন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পুলিশের কাজে বাধাসহ তিন মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাইফুল ইসলাম নীরবসহ ৭৪ নেতা কর্মীকে ২১ মার্চ পর্যন্ত আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি হাবিবুল গনী ও বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিন খানের বেঞ্চ এই জামিন দেন।

 

জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের প্রতিবাদে গত শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা প্রেসক্লাবের ভেতরে অবস্থান নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় রমনা ও শাহবাগ থানায় তিনটি মামলা করা হয়।

 

এসব মামলায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী খান সফু, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৭৪ নেতাকর্মী হাই কোর্টে হাজির হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।

 

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল জিলা স্কুল মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়, তাই আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আদায় করে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

 

এ সময় জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নেয়ার উদ্যোগের কঠোর সমালোচনা করেন বিএনপি নেতারা। সমাবেশে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া ইশরাক হোসেন, তাবিথ আউয়াল, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলসহ ৬ সিটি নির্বাচনের পরাজিত প্রার্থীরা নির্বাচনি অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

সভা চলাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সমাবেশকে কেন্দ্র করে নগরীতে নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা।

আরও পড়ুন