যে কারণে বার বার ভবন ধস-হেলে পড়ার ঘটনা কেরানীগঞ্জে

রাজধানীতে আবাসন খরচ হু হু করে বাড়ায়, অনেকেই থাকার জন্য বেছে নেন কাছাকাছি কেরানীগঞ্জকে। চাহিদার ভার সামাল দিতে যেনতেনভাবে গজিয়ে উঠছে ভবন। আর তাতেই বার বার ঘটছে দুর্ঘটনা। গত ৬ বছরে ৫টি ভবন হেলে পড়েছে ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায়।

২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল কেরানীগঞ্জের চরকালিগঞ্জে হেলে পড়ে ৬ তলা ভবন। একই বছরের ৭ জুলাই শুভাড্ডা পশ্চিম কলোনী এলাকায় হেলেপড়ে নির্মাণাধীন ৪তলা ভবন। ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল কালিবাড়ি খালপাড় এলাকায় হেলে পড়ে ৩তলা ভবন, ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কাজীবাড়ি মোড়ে হেলে পড়ে ৬তলা ভবন, ২০১৯ সালের ৪ জানুয়ারি বেগুনবাড়ি সেতুর কাছে হেলেপড়ে ৫তলা একটি ভবন।

আর সবশেষ শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চরাইল এলাকায় ধসে পড়ে একটি তিনতলা ভবন। এ ঘটনায় আশপাশের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মতিউর রহমান জানান, এই এলাকার আরও বেশ কয়েকটি ভবন অপরিকল্পিতভাবে জলাশয়ের ওপর নির্মিত হয়েছে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবহেলা ও তদারকির অভাবেই অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মিত হচ্ছে।

নগরবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে নগরায়ন অথবা বসত ভিটার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা এবং অজুহাতে পরীবীক্ষণ ছাড়া বসবাস যোগ্যতার সার্টিফিকেট দেয়া আত্মহত্যার সামিল।’

এখনই সতর্ক না হলে ক্রুটিপূর্ণ অবকাঠামোর ভবনগুলো বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন নগরবিদরা।

সূত্রঃ সময় নিউজ

আরও পড়ুন