ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১৪ বছরের মেয়েকে মেরেই ফেললেন বাবা!

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১৪ বছরের মেয়েকে মেরেই ফেললেন বাবা!

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১৪ বছরের মেয়েকে রাগের মাথায় মেরে ফেললেন তার বাবা। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) ওই কিশোরীর লাশ নদীর তীর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে তদন্ত করে পুলিশ জানায়, ১৪ বছর বয়সে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করেছে তার বাবা-ভাইয়েরা।

ভারতের উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরের দুলহাপুর গ্রামের সিদহৌলি এলাকায় এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কয়েকমাস আগে তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। পরিবারের সম্মানের কথা ভেবে সেই সময় পুলিশে অভিযোগ দায়ে করা হয়নি। কিন্তু পরবর্তীকালে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে পুরো এলাকায় খবরটি রটে যায়। পরিবারটিকে নিয়ে অনেকে হাসাহাসি, বিদ্রুপ করতে থাকে।

মেয়ের কাছে কে ধর্ষণ করেছে, তার নাম জানতে চায় বাবা। কিন্তু মেয়েটি ভয় পেয়ে না বলায় তাকে মারধর শুরু করেন। এদিকে বোনকে বাঁচানোর বদলে বাবাকে সহযোগিতা করে বড় ভাইও। শেষমেষ শ্বাসরোধ করে কিশোরীকে হত্যা করা হয়। তবে এখানেই শেষ নয়, প্রমাণ লুকানোর জন্য মেয়েটির মুণ্ডুচ্ছেদ করে স্থানীয় একটি নদীর তীরে লাশ পুঁতে আসা হয়।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করলে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও তার ছেলে এখনো পলাতক। তার খোঁজে এরই মধ্যে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে মেয়েটিকে কে ধর্ষণ করেছিল, সেটা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সূত্র: নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
আরও পড়ুন