ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইপিএলে দর্শক ফিরছে মাঠে

আগামী মৌসুমের শুরু থেকেই দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে ম্যাচ পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে ইংল্যান্ডের ফুটবল কর্তৃপক্ষ। আগামী মে মাস থেকে ১০ হাজার দর্শককে মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার কথা ভাবছে তারা। জানিয়েছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড মাস্টার্স।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের মতো জমজমাট আসরও যে করোনাভাইরাসের থাবায় হয়েছে নিষ্প্রাণ। এক বছর ধরে ধুলো জমছে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড-এতিহাদ-অ্যানফিল্ড-স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের গ্যালারিতে। তবে, সময় এসেছে সব ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করার। শেষ হয়েছে ইপিএলের তিন চতুর্থাংশ। টেলিভিশন সেটের সামনে থেকেই এতদিন প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে হয়েছে। আবারও সময় আসছে গ্যালারি মাতানোর।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড মাস্টার্স বলেন, ‘দর্শক ফেরানো নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানাই। আশা করছি, মৌসুমের শেষ দুই রাউন্ডে ১০ হাজারের মতো দর্শক থাকবে। সরকারের রোডম্যাপের প্রাথমিক ধাপগুলো সফলভাবে পেরোতে হবে। তাহলে মৌসুমের শেষটাও দারুণ হবে। আর পরবর্তী মৌসুমের শুরু থেকেই আমরা দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়াম দেখতে চাই। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত রয়েছে। এখনও অনেক পথ বাকি। তবে, মূল লক্ষ্য একটাই- প্রিমিয়ার লিগের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।’

খেলার মাঠের প্রাণ দর্শক। রাজস্বের কেন্দ্রেও তারাই। টিকেট তো আছেই, তবে তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ- দর্শক থাকলেই সম্প্রচার, বিজ্ঞাপন আর পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ মনোযোগ পায় লিগ বা টুর্নামেন্ট। করোনা মহামারিতে যে জায়গাটায় বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে ইপিএল।

রিচার্ড মাস্টার্স বলেন, ‘শুধু প্রিমিয়ার লিগই নয়, গোটা ফুটবল কাঠামোই আর্থিকভাবে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির শুরু থেকে এ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ডে আর সম্প্রচার রাজস্ব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ হতে পারে প্রায় ২ বিলিয়ন পাউন্ড। তারপরও আমরা হাল ছাড়ছি না। ক্লাবগুলো ম্যাচ ডে স্কোয়াড সহ যাবতীয় খরচ চালাতে বিনিয়োগ করছে। প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষও ফুটবল কাঠামোর সব স্তরে সাধ্যমতো সহযোগিতার চেষ্টা করছে। তবে, আয় কম হলে, আর্থিক বন্টনেও তার প্রভাব পড়ে।’

এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে দু’একটি ম্যাচে কিছু দর্শক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিলো ইংলিশ লিগ কর্তৃপক্ষ।

সূত্রঃ সময় নিউজ
আরও পড়ুন