প্রাইভেটকার দেখলেই যাত্রীদের প্রশ্ন, ভাড়া কত?

ঈদে বাড়ি ফেরার মতো অবস্থা সড়ক-মহাসড়কে। দূরপাল্লার বাস না চললেও যে যেভাবে পারছেন ছাড়ছেন ঢাকা। এই সুযোগে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে দেদার যাত্রী পরিবহন করছে বাড়তি ভাড়ায়।

যে কোনো প্রাইভেটকার দেখলেই যাত্রীরা প্রশ্ন করছেন, যাবেন, ভাড়া কত? কেউবা টাকার বিনিময়ে যাত্রী ম্যানেজ করে দেওয়ার অফারও দিচ্ছেন। গণমাধ্যমের গাড়ি দেখে ক্ষোভ ঝাড়লেন অনেকে।

তারা বলেন, এসব সরকারের কেমন আচরণ বুঝলাম না। মানুষকে এভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। ৫০০ টাকার ভাড়া এক হাজার ৫০০ টাকা চাচ্ছে। সরকারের কি কোনো দায়িত্ব নেই।

সোমবার (১২ এপ্রিল) সকাল থেকেই গাবতলীতে শত শত মানুষ নেমেছেন রাস্তায়। সবাই ঢাকা ছাড়ছেন। কিন্তু সরকারি আদেশে চলছে না দূরপাল্লার বাস। সেটিও আবার জানেন না অনেকে।

একজন ভুক্তভোগী বলেন, আজ দু’দিন কিছু খাইনি। বাড়ি যাব সে রাস্তাটাও নেই। সব গাড়ি চলছে, শুধু নাকি বাস চললেই সমস্যা হয়। সিএনজি প্রাইভেটকারে উঠলে কি সংক্রমণ হয় না? নাকি সব সংক্রমণ শুধু বাসের মাধ্যমেই হয়?

যেহেতু দূরপাল্লার বাস বন্ধ তাই এই সুযোগটাই নিচ্ছে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোগুলো, তারা দ্বিগুণ ভাড়া হাঁকিয়ে যাত্রী পরিবহন করছেন। এমনকি অ্যাম্বুলেন্সে করেও যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই। এক গাড়িতে গাদাগাদি করে বসছেন অনেকে।

যাত্রীদের অভিযোগ, বন্ধ থাকলে সবই বন্ধ থাকা উচিত। শুধু দূরপাল্লার বাস বন্ধ রেখে সংক্রমণ কমানো যাবে না বলে মনে করেন তারা।

সূত্রঃ সময় নিউজ
আরও পড়ুন