আবাসিক এর ভিতরে অবৈধভাবে বাণিজ্যিক লাইন

রোড নাম্বার ৭ সেক্টর ৭ হাউজ নাম্বার ১২ বাড়িটি নয়তলা ভবন মালিকের নাম ফজলুল হক উত্তরা আজমপুর। উত্তরা ৭নঃ সেক্টর আবাসিক এর ভিতরে বিদ্যুতের বাণিজ্যিক লাইন।

 

এই বিল্ডিংটি নয়তলা ভবন, নিচতলা থেকে শুরু করে নয় তলা পর্যন্ত সবটাই অফিস ভাড়া দেওয়া। এখানে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে জানতে পারলাম এই বিল্ডিংটির মালিক মোঃ ফজলুল হক তিনি অবৈধভাবে উপরোক্ত কর্মকর্তাকে টাকা দিয়ে এই বিদ্যুৎ লাইন টি বাণিজ্যিক লাইন হিসেবে লাগানো হয়েছে বলে আমরা জানতে পারি।

 

 

 

এই বিল্ডিং এর বিদ্যুৎ লাইনের সমর্ণভাবে অবৈধ এবং তার কোনো বৈধ কাগজ পাতি নাই বলে আমরা জানতে পারি। আমাদেরকে আশেপাশের লোকজন জানায় আবাসিক এর ভিতর কিভাবে অফিস ভাড়া দেওয়া হয় এবং কিভাবে বিদ্যুৎ বাণিজ্যিক লাগানো হয় সাধারণত এই বাণিজ্যিক লাইনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন কলকারখানায় লাগানো হয়।

 

আবাসিক এর ভিতর আবাসিক লাইন লাগানো হয় এখানে কিভাবে বাণিজ্যিক লাগানো হলো সেটাই আমাদের প্রশ্ন।

 

সাধারণত সেন্ট্রাল এসি ব্যবহার করতে হলে বিদ্যুৎ লাইন বাণিজ্যিক লাইন লাগবে কিন্তু এই লাইনটি সম্পূর্ণ ভাবে আবাসিক তাহলে কিভাবে সেন্ট্রাল এসি ব্যবহার করে।

 

বিদ্যুৎ লাইন যদি বাণিজ্যিক নিতে হয় তাহলে রাজউক থেকে অকুপেন্সি সার্টিফিকেট লাগে আমরা আরো জানতে পারলাম রাজউক থেকে কোনরকম অকুপেন্সি সার্টিফিকেট নেওয়া হয় নাই।

 

আমাদেরকে বিদ্যুৎ অফিসের অফিসার জানান এই বাড়িটি সম্পূর্ণ আবাসিক বিদ্যুৎ লাইন আবাসিক কেন তারা বাণিজ্যিক চালানো হয় আপনাদেরকে জানাবো কিন্তু এক সপ্তাহ পর্যন্ত গুরানের পর আমাদেরকে কোন রকম তথ্য দিতে পারেননি।

 

এই বিষয়ে জানানোর জন্য ১৫/১১/২০ তারিখে মালিকের গাড়ির ড্রাইভার এর কাছে ফোন করি তিনি আমাকে অন্য লোককে মালিক সাজিয়ে কথা বলান।

 

সেই মালিক আমাকে মুঠোফোনে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেন এবং গুন্ডা ভাড়া করে রেখেছেন আমি যদি মালিকের সাথে দেখা করতে যাই তাহলে ওই গুন্ডা দিয়ে আমাকে মেরে ফেলবে।

 

কিন্তু আমি গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম তিনি মালিক নয় তিনি মালিকের ভাগনা আমরা আরো জানতে পারলাম মালিকের ড্রাইভার এবং মালিকের ভাইগ্না মিলে এই বিদ্যুৎ লাইন টি অবৈধভাবে এনে দিয়েছেন বলে আমরা জানতে পারি।

টোয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/মোঃ শাকিল হোসেন

আরও পড়ুন