ঈদ পর্যন্ত শিথিল, পরে আবার কঠোর বিধিনিষেধ

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধিনিষেধ ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত শিথিল হবে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলে জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর। ২৩ জুলাই থেকে আবারও কঠোর বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে। ঈদের চাপ সামলাতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

 

 

করোনার বিস্তার ঠেকাতে কঠোর বিধিনিষেধ বলবৎ ১৪ জুলাই পর্যন্ত। কিন্তু করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু এখনও ঊর্ধ্বমুখি। এর মধ্যেই ঈদে মানুষের চলাচল ও পশুর হাট বিবেচনায় নিয়ে শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তথ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ জুলাই থেকে আটদিন তা কার্যকর থাকবে। মঙ্গলবার জারি হবে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন।

 

 

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, পশু ব্যবসায়ী, দোকান মালিক ও ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের কথা চিন্তা করা হচ্ছে। প্রজ্ঞাপনে বিষয়গুলো পরিষ্কার করা হবে বলে জানান তিনি। ঈদের সময় গরু ব্যবসায়ী, দোকান মালিকদের কথা বিবেচনা করেই সরকার চলমান বিধিনিষেধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

 

এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে গণপরিবহনও চলবে। এরই মধ্যে রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিদিন ৫০ ভাগ টিকিট বিক্রি করা হবে। এছাড়া খুলে দেয়া হবে দোকানপাট, শপিং মল। তবে ২৩ জুলাই থেকে আবারো কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হবে বলে জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর।

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। প্রথমে ৭ জুলাই পর্যন্ত তা থাকলেও পরে তা আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়, যা আগামী বুধবার (১৪ জুলাই) শেষ হওয়ার কথা।

 

চলমান বিধিনিষেধে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, শপিং মল, মার্কেটসহ সব ধরনের দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ রয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহনসহ সব ধরনের যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা আছে। এ রকমভাবে মোট ২১ ধরনের বিধিনিষেধ চলছে।

 

এদিকে, দেশে একদিনে করোনাভাইরাস সংক্রমণে আবারো সর্বোচ্চ মৃত্যু ও সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্তের রেকর্ড হয়েছে গতকাল রোববার। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় শনিবার সকাল আটটা থেকে আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনায় ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৮৭৪ জন।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন