নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা

আসছে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষামন্ত্রণালয়। তবে করোনা পরিস্থিতে তা সম্ভব না হলে পূর্বেকার পরীক্ষাগুলোর ফলাফল বিবেচনায় নিয়ে ফল প্রকাশ করা হবে। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন এ কথা জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করা হবে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আবশ্যিক বিষয়গুলোর মূল্যায়ন হবে না, শুধু গ্রুপভিত্তিক বিষয় মূল্যায়ন হবে। ঈদের পর এইচএসসির ফরম পূরণ অনলাইনে হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এবার, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী প্রায় ২০ লাখ। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী আছে ১৪ লাখের মতো।

 

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি দিনে দিনে অবনতি হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটিও। এর ফলে আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা ফিকে হয়ে আসছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো বলছে, এ অবস্থায় ‘অটো পাস’ না দিয়ে যেকোনো উপায়ে মূল্যায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এবার শিক্ষা বোর্ডগুলোও একেবারে ‘অটো পাস’ দিতে চায় না।

 

প্রতিবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি এবং এপ্রিল মাসে এইচএসসি পরীক্ষা হতো। কিন্তু করোনার কারণে গত বছর থেকে পুরো শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলো হয়ে গেছে। করোনা পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। সরকারের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, ৩১ জুলাই পর্যন্ত ছুটি আছে।

 

শিক্ষা বোর্ডগুলোর কর্মকর্তারা জানান, তাঁদের পরিকল্পনা ছিল, সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে ৬০ দিন ক্লাস করিয়ে আটকে থাকা এ বছরের এসএসসি এবং ৮৪ দিন শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার। কিন্তু এ পরিকল্পনাটির বাস্তবায়ন নির্ভর করছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ওপর। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা নেই। এমনকি আরও কয়েক মাসের মধ্যে খোলা যাবে কি না, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়। কারণ, সরকারের পরিকল্পনা হলো, ‘পর্যাপ্তসংখ্যক’ টিকা দেওয়ার পর এবং করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন