ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২৩ কিলোমিটার যানজট

লকডাউন শিথিল ও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ বেড়েছে। বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন পরিবহন চলাচল শুরু করেছে। ফলে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থেকে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা পর্যন্ত মহাসড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী সাধারণ।

 

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব ও পশ্চিমে গাড়ি আটকা থাকায় শনিবার ভোরে দুবার টোল আদায় বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ। এতে ভোর থেকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট দেখা যায়।

 

তবে এর আগে শুক্রবার রাত থেকেই ওই মহাসড়কে থেমে থেমে যানজট দেখা দেয়। মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থেকে সিরাজগঞ্জ রোড পর্যন্ত রয়েছে পরিবহনের ধীরগতি।

 

অন্যদিকে ঢাকামুখী গরুবাহী ট্রাকের চাপ বাড়ছে। এতে করে দীর্ঘমেয়াদি যানজটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যানজটের ফলে চালক ও ঘরমুখো যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

 

জানা যায়, সেতুর পশ্চিম পাড় থেকে মহাসড়ক বর্ধিতকরণের কাজ চলমান থাকায় সেখানে সৃষ্টি হওয়া যানজট গিয়ে ঠেকেছে টাঙ্গাইল অংশে। এদিকে সেতুর দুই পাশে দীর্ঘ যানজট থাকায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে রাতে ২ ঘণ্টা এবং ভোরে পর পর দুবার টোল আদায় বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।

 

মহাসড়কে চলাচলাকারী চালকরা জানান, প্রতিনিয়তই টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব পর্যন্ত মহাসড়কটুকুতে যানজটে আটকা পড়তে হয়। এটা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

 

এ ব্যাপারে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, ঈদ সামনে রেখে মহাসড়কে যানবাহনের প্রচুর চাপ রয়েছে। আবার কোথাও কোথায় গাড়ি বিকল হওয়ায় তা সরিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগছে। এতে করে অনেক স্থানে জটলার সৃষ্টি হচ্ছে।

 

আবার সেতু কর্তৃপক্ষ শুক্রবার রাত ২টা থেকে ৪টার পর্যন্ত টোল আদায় বন্ধ রেখেছিল। এতে মহাসড়কে আরও পরিবহনের চাপ বেড়ে যায়। যানজট নিরসনে হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন