দীর্ঘ জটে উত্তরের মহাসড়ক

ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। চাপ বাড়ছে সড়ক মহাসড়কে। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই মানুষ ছুটছে গ্রামে। এদিকে, টোল প্লাজা বন্ধ ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে ২৫ কিলোমিটারের যানজট রয়েছে। ঘাটগুলোতেও রয়েছে যানবাহন ও মানুষের বাড়তি চাপ।

গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সকাল থেকে বাড়ছে যানবাহনের চাপ। এ কারণে আজ শনিবার সকাল থেকেই টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে গাড়ি। একই অবস্থা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায়। দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা। দূরপাল্লার যানবাহনে অনেকটা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও উল্টো চিত্র ছোট ছোট যানবাহনে।

দীর্ঘ লকডাউনের পর ছুটি হওয়ায় এবার রাস্তায় মানুষ বেশি থাকবে, তাই তাদের নিরাপত্তাসহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে মাঠে কাজ করছে বলে জানিয়েছে গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগ।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট না থাকলেও যানবাহনে চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। যার কারণে কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কের চন্দ্রার পর জিরানী থেকে ইপিজেড পর্যন্ত যানজট থাকায় মাঝেমধ্যেই সেই যানজট দীর্ঘ হয়ে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌরুটে ১৩টি ফেরি ও ৮৩টি লঞ্চ চলাচল করলেও মানুষের চাপ সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই গাদাগাদি করে ফেরি, লঞ্চে চাপছেন যাত্রীরা।

ভোগান্তি রয়েছে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও। নদীতে স্রোত ও পশুবাহী ট্রাকের চাপে ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন