তাওয়াফে মুখরিত পবিত্র কাবা চত্বর

হজের উদ্দেশ্যে পবিত্র মক্কা নগরীতে আসতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা। তাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে চারদিক। তাওয়াফে মুখরিত পবিত্র কাবা চত্বর। হাজারো কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে- লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়ালমূলক লা শারিকা লাক।

 

করোনা মহামারির মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো সীমিত পরিসরেই হচ্ছে এবারের হজ। গত বছরও হজ পালনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা ছিল। এবারও হজযাত্রীদের মাস্ক পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই হজ পালন করতে হবে।

 

দেশটির হজ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিশাম আল সায়েদ এএফপিকে বলেন, প্রতি তিন ঘণ্টায় ৬ হাজার হজযাত্রী তাওয়াফ করার সুযোগ পাচ্ছেন। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে এক দলের তাওয়াফ শেষ করার পরেই ওই স্থান জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। আজ রোববার মিনা প্রাঙ্গণে অবস্থান করবেন মুসল্লিরা।

 

এরপর সোমবার সূর্য ওঠার পর আরাফাত ময়দানে যাবেন। এবারের হজের খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ ড. বানদার বালিলাহ। বাংলাসহ ৯টি ভাষায় অনুবাদ করে প্রচার করা হবে খুতবা।

 

সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় গিয়ে, সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাত জেগে চলবে ইবাদত-বন্দেগি। হাজীরা মঙ্গলবার আবারও ফিরবেন মিনায়। শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।

 

অনলাইনে নিবন্ধন করা ৫ লাখের মধ্যে থেকে এবছর মাত্র ৬০ হাজার জনকে দেয়া হয়েছে হজের অনুমতি। সৌদি আরবে ১৮ থেকে ৬৫ বছরের নাগরিক ও বাসিন্দারা সুযোগ পেয়েছেন এবার। অংশ নেয়ার আগে সবাইকে নিতে হয়েছে করোনার টিকা।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন