ফের ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনে দেশ

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে শুক্রবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে ১৪ দিনের কঠোর ‘লকডাউন’ বা বিধিনিষেধ। এবারের বিধিনিষেধ আগের যেকোনোবারের চেয়ে কঠোর হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। যানবাহন ও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে থাকবেন।

এ সময়ে তৈরি পোশাক কারখানাসহ শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে। সব ধরনের যানবাহন ও অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ ও নৌযান চলাচল বন্ধ থাকলেও সীমিত আকারে চলবে ফেরি। তবে ফেরিতে সব ধরনের যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পারাপারও বন্ধ থাকবে। এ সময়ে ফেরিতে শুধু জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার হবে। এ অবস্থা বজায় থাকবে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত।

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গত ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। গত ১৩ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছিল, ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ফের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

 

সেই বিধিনিষেধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েই বৃহস্পতিবার নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয় পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন করে নৌযান ও ফেরি চলাচলের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের তথ্য জানিয়েছে।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন