ভ্যাকসিন নিয়ে বিড়ম্বনা,এক সপ্তাহের জন্য পেছালো গণহারে টিকা কার্যক্রম

 

কাজি আরিফ হাসানঃ

করোনা সংক্রমণ বিশ্বের চলমান একটা বড় সমস্যার অন্তরায়। ইতিমধ্যে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে,সারা দেশে প্রতিদিন ২৪ ঘন্টায় ২’শরও বেশি মারা যাচ্ছে সংক্রামণে এবং এ পর্যন্ত করোনায় সংক্রামণে দেশে মোট মৃত্যু ২১ হাজার ৮শরও বেশি মোত এবং সেই সাথে সংক্রামণও বেড়েছে। তবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের তৈরি(কোভিশিল্ড-অক্সফোর্ড এন্ড অ্যাস্টেজেনিকাঃইংল্যান্ড,সিনোফার্ম-সিনোভ্যাক বায়টেকঃচীন,ফাইজার-বায়ো এন্ড টেকঃজার্মানি,মর্ডানা-আমেরিকা)এই করোনা সংক্রমণের প্রতিশেধকও বের হয়েছে এবং আমাদের দেশে আসতে শুরু করেছে।এ সংক্রামণ প্রতিরোধে টিকা দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে অনলাইনে “সুরক্ষা” অ্যাস্পের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন শুরু হয়েছে। এ নিবন্ধনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টের ব্যক্তওবর্গ ছাড়াও যারা নিবন্ধন করছে তাদের নিবন্ধনের ফিরতি(টিকা গ্রহনের তারিখ) মেসেজও আসতেও বিলম্ব হওয়ার তথ্য মেলে । ইতোমধ্যে টিকার আওতায় আনা হয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি এবং দেশে এ পর্যন্ত টিকা এসেছে ২ কোটি ৪৬ লাখের মত। তবে এমনও তথ্য জানা যায়,অনেকে অনলাইনে এ্যাপ্সে নিবন্ধন করলে টিকা দেয়ার তারিখে ফিরতি মেসেজ অতি দ্রুত না আসায় সাধার মানুষকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। তথ্য নিয়ে জানা যায় গত ১ জুলাই অ্যাপ্সে নিবন্ধন করলে তাদের ফিরতি মেসেজ আসে ১ আগস্ট।সাধারন মানুষ গণমাধ্যম কর্মীকে জানায় এভাবে টিকা দেয়া তারিখের মেসেজ তাদের ফোনে না আসলে তাহলে সময় মত কি ভাবে আমরা টিকা গ্রহন করবো। এদিকে মুক্তিযুদ্ধো বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এক সংবাদ বিবৃতিতে বলেন,১১ আগস্টে পর টিকা গ্রহন কারি ছাড়া কোন ব্যক্তি বাসা বাইরে বের হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে,সাধারন মানুষ জানায় আমরা যারা অনলাইনে নিবন্ধন করেছি তাদের টিকা মেসেজই যদি না আসে তাহলে টিকাই বা দেব কি ভাবে? আর এদিকে মন্ত্রী এমন নির্দেশ দিয়েছে তাতে বেশির ভাগই তো টিকা সময় মত দিতে পারবেন তা আর টিকার তারিখে মেসেজ যদি না আসে তাহলে জনসাধারনের দোষ কোথায় আর শাস্তিই বা পাবে কেনো? তবে এদিকে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেছেন বলে জানা গেছে। সাধারন মানুষ জানায় আমরাও টিকার আওতায় আসতে চাই,যে হারে আমাদের দেশে প্রতিদিন করোনায় মারা যাচ্ছে আর সংক্রামণও যেভাবে বেড়ে যাচ্ছে তাতে সবাইকেই টিকা গ্রহনের আওতায় আসতে হবে। বিশ্ব যেখানে এই করোনায় জনজীবন থমকে গেছে সেখানে আমরা কেনোই টিকা গ্রহনে পিছিয়ে থাকবো,অনেকেই বলেন টিকা গ্রহনে সাধারন মানুষকে আরো সহজ করে দিলে সরকার,দেশ, জনগণ সবাই উপকৃত হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানালো,এক সপ্তাহ পেছালো গণ টিকা দেয়ার কার্যক্রম, তবে ৭আগস্ট থেকে হবে পরীক্ষা মুলক টিকা কর্মসূচি এবং পুরোদমে গণহারে টিকা কার্যক্রম চলবে ১৪-১৯ আগস্ট পর্যন্ত।এ বিষয়ে সাধারন জনমত,সরকার যদি টিকা গ্রহনের ব্যবস্থা আরো সহজ করলে দেশে মানুষকে অতিদ্রুত টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে। “মাস্ক ব্যাবহার করুন,সামাজিক দুরত্ব বর্জায় রাখুন”।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন