দঃখানে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আলোচনাসভা,দোয়া ও তবারক বিতরন

কাজি আরিফ হাসানঃ 

ঢাকা উত্তর সিটির দক্ষিণখান থানাধীনসহ সারা দেশে একযোগে পালিত হয়ে গেলো জাতীয় শোক দিবস। জাতীয় শোক দিবসের শ্লোগান”শোক থেকে শক্তি,শোক থেকে জাগরণ”।১৫ই আগস্ট পৃথিবীর ইতিহাসের এক শোকের অধ্যায়।গত ১৫ আগস্ট(রোববার) জাতীয় শোক দিবসে দক্ষিণখান থানাধীন ৪৯ নং ওয়ার্ডে(প্রেমবাগন,হাজীক্যাম্প রোড) দোয়া ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত। উক্ত অয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ.কে. এম মাসুদুজ্জামান মিঠু(সাধারন সম্পাদক,দক্ষিণখান থানা আওয়ামীলীগ),জনাব হারুন অর রশিদ(প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক,দঃখান থানা আ.লীগ),জনাব নুরুল আমিন ভূইয়া(দক্ষিণখান থানা আওয়ামীলীগের সদস্য),এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের থানা ও ইউনিটে নেত্রীবৃন্দরা। উক্ত দোয়া ও আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন এ্যাড.আসাদুর জামান এবং আলোচনা সভা ও দোয়া পরিচালনা করেন,মোঃহুমায়ন আহমেদ(শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক,দঃখান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ)।১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি এ.কে এম মাসুদুজ্জামান মিঠু বলেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন আদর্শ নেতা,এই নেতা কখনো নিজের ও তার পরিবারে জন্য চিন্তা করেনি,দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য এই মহান নেতা জেলও খেটেছেন এবং অনেক ত্যাগও স্বিকার করেছেন,এই মহান নেতা কখনো কারোর কাছে মাথা নত করেননি,এই নেতা বিশ্বের কাছে দেশকে মর্যাদার স্থানে নিয়ে গেছেন। তাই আমি বলতে চাই এই জাতীয় নেতাসহ তার পরিবারবর্গদের যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দেখতে চায় এই বাংলার মানুষ। এ এই মহান নেতা বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে এক ভাষণে বাংলা ভাষায় বক্তব্য দিয়ে দেশে মর্যাদা আরো এক ধাপ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। এই মহান সাহসী নেতার নেতৃত্বেই আজ আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ঠিকই‘ ৭১ এর স্বাধীনতা অর্জনের পর ষড়যন্ত্রকারি একটি মহল এদেশের স্বাধীনতার ¯’পতি এই মহান নেতাকে বেঁচে থাকতে দেয়নি।এদেশে স্বাধীন হলেও দেশে থেকে যায় কিছু বিশ্বাস ঘাতক,বেঈমানেরা।ঐ বিশ্বাস ঘাতক-বেঈমানেরা ষড়যন্ত্র করে এই মহান নেতা,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বন্ধুকে বাঁচতে দেয়নি,এই বেঈমানেরা ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সব সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে দেশকে কলঙ্কিত করে, শুধু তাই নয় শিশু রাসেলকেও নির্মমভাবে হত্যা করে তারা। আজ সেই ১৫ আগস্ট স্মরণী শোকের দিন আর এই শোকের দিনে মহান জাতীয় নেতাকে আমারা সারা দেশ ব্যাপি এই হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী স্বাধীনতার মহান ¯’পতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা এবং সেই সাথে জাতীয় শোক দিবসে এই মহান নেতা ও তাঁর পরিবারবর্গের জন্য দেশবাসী পক্ষ থেকে দোয়া রইলো। এদিকে তার কণ্যা আ.লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যখন দেশকে উন্নয়নে পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং দেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চেষ্টা করছেন ঠিক সে সময় দেশের ভিতরে একটা কুচক্রী মহল পেছন থেকে একের পর এক যড়যন্ত্র করেই চলেছে,আর এই ষড়যন্ত্রকারি মহল যাতে কখনোই তাদের ষড়যন্ত্র সফল হতে না পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখার জন্য দেশবাসি কাছে আহবান করেন।তিনি আরও বলেন সে সাথে আমাদের আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও মাননীর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতাকে শক্তিশালি করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে সে দিকে আমাদের সুদৃষ্টি রাখতে হবে। বিশেষ অতিথি তার বক্তব্যে বলে বঙ্গবন্ধু হাতে গড়া সংগঠনে কোন দূর্নীতিবাজ ও মাদক সেবকদের ¯স্থান যেনো না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।আলোচনার পর দোয়া অনুষ্ঠিত হয়,উক্ত দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলান আশরাফ আলি,বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার আতœার মাগফিরতের জন্য এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশের জন্য দোয়া করা হয়। উক্ত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে আলোচনাসভা বেলা ২ টায় শুরু হয়ে দু¯’দের মাঝে তবারক বিতরণ মধ্য দিয়ে সমাপনী হয়।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন