বরিশাল ইউএনও’র বাসভবনে হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৯

পোস্টার অপসারণকে কেন্দ্র করে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলা ও গুলিবর্ষণ হয়েছে। রাতে, জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তার বাসভবনে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ইউএনও’র। হামলা ঠেকাতে গুলি চালায় আনসার সদস্যরা। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৯ জন আহত হয়।

এ ঘটনায় কোন মামলা না হলেও কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। এঘটনায় বরিশাল থেকে সব ধরনের লঞ্চ ও বাস চলাচল বন্ধ করেছে মালিক শ্রমিকরা।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমানের বাসার সামনে পোস্টার সরানোর কাজ শুরু করে জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সেসময় হইচইয়ে বিরক্ত হয়ে তাদের কাজে বাধা দেন মুনিবুর। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বাবুসহ ৬০ থেকে ৭০ জন ইউএনওর বাড়িতে হামালা চালায়। ছুঁড়তে শুরু করে ইট পাটকেল। তাদেরকে ঠেকাতে ইউএনও’র বাসভবনের নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি চালালে ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ ১৯ জন আহত হন।

পরে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

আহতদের সবাই মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারাও। তবে গুলিবর্ষণের ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলছেন তারা।

হামলা ও সংঘর্ষের পর ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় বরিশাল থেকে দূরপাল্লার সড়ক যোগাযোগ বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন