আন্দোলন স্থগিত করল রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির আশ্বাসে সিরাজগঞ্জ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের চুল কাটার ঘটনায় চলমান আন্দোলন শিথিল করেছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দিলে প্রায় ২৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে মুক্ত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আব্দুল লতিফ।

 

ষোল শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনের পাওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন সাময়িক স্থগিত করেছে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা। এর আগে শুক্রবার সকাল ৯ টায় উপাচার্যকে ভেতরে রেখে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা।

 

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের অপসারণ চেয়ে মঙ্গলবার থেকে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

 

অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা ও অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হলেও ক্যাম্পাস ছাড়েননি বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা। গত রোববার পরীক্ষার হলে ঢোকার সময় ১৬ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন। পরে, আন্দোলন শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি পদ ত্যাগ করেন তিনি।

 

এরপর বৃহস্পতিবার রাতেই শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে স্থগিত করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন উপাচার্য।

 

গেলো রোববার পরীক্ষার হলে ঢোকার সময় ১৬ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন। পরে, আন্দোলন শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি পদ ত্যাগ করেন তিনি। ঘটনাস্থলে একটি সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল। ওই ক্যামেরার ভিডিওতে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে কাঁচি হাতে দেখা যায়।

 

চুল কেটে দেওয়ায় অপমান সইতে না পেরে’ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের যে শিক্ষার্থী ঘুমের বড়ি খেয়ে সোমবার রাতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বুধবার রাতে তিনি ছাত্রাবাসে ফিরেছেন।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন