টার্গেট করে ক্লিন ইমেজের শিক্ষকদের বিতর্কিত বানানোর চেষ্টা

গাজীপুর টঙ্গির সিরাজ উদ্দীন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজের ক্লিন ইমেজের অধ্যক্ষ মোঃওয়াদুদুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি চক্র মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রচার করছে।এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে অএ কলেজের অভিভাবক শিক্ষক এবং ছাত্র ছাত্রীরা।অনুসন্ধানে জানা যায়,১৯৮৭ সালে টঙ্গী পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মৃত সাহাজ উদ্দিন সরকার স্কুলটি প্রতিষ্ঠাতা করেন। ২০১৩ সালে কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মোঃ ওয়াদুদুর রহমানের অক্লান্ত পরিশ্রম ও তৎকালীন গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি গাজীপুর-২ আসনের নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেলের সার্বিক সহযোগীতায় ও তত্তাবধানে সিরাজ উদ্দিন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এসময় বিদ্যালয়ের নামকরণ করা সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ (স্কুল কোড- ২৩৫১. এস.এস.সি (ভোক) কোড- ৫৩০০১, কলেজ কোড- ২২০৪. ঊওওঘ ঘড়- ১০৯০৪৬)। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্বে আছেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এড, আজমত উল্লাহ্ খান।২০১৩ সালের পর থেকেই বিদ্যালয়টি একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রূপ নেয়।অধ্যক্ষ মোঃওয়াদুদুর রহমান তার সততা, মেধা, আদর্শ ও তীল তীল পরিশ্রম দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আজ গাজীপুরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানে নিয়ে এসেছেন।আর এই সফলতা কে কেন্দ্র করে একটু কুচক্র মহল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে বলে জানা যায়।একটি সামান্য জম্নদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র।অএ কলেজর একজন শিক্ষক জানান, দায়িত্বশীল সবার পরামর্শ নিয়েই ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়া পরিবেশে ছোট্ট পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে।এটা কোন অপরাধের তালিকায় পরে না।ঘরোয়া পরিবেশে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজন করতেই পারি।এটা বিতর্ক তৈরি করে বিষয়টি অন্য দিকে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।এই বিষয়ে সিরাজ উদ্দীন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃওয়াদুদুর রহমান আমাদের প্রতিবেদক কে জানান,শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌছাতে পারে না।আমি আমার প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার পর আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিক সময়ে ও পালন করেছি এবং ভবিষ্যৎতেও করবো।বিনামূল্যে অনেক মেধাবী ছাএ ছাএীদের আমি এখানে ফ্রী পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।সমাজে গরীব অসহায় ও লাঞ্চিত ব্যক্তিদের অভিভাবক হয়ে কাজ করে গেছি।আমার এই প্রতিষ্ঠান ব্যতিক্রম ধর্মী আদর্শিক এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।আমার জায়গা থেকে আমার সাধ্যমতো যা ককরনীয় তাই আমি করেছি।

 

গত দুই বছর কলেজ বন্ধ থাকা কালীন অবস্থায় আমার সকল শিক্ষক দের খোজ খবর নিয়েছি।তাদের বিপদ আপদে তাদের পাশে গিয়ে দাড়িয়েছি।সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। অনলাইন ক্লাস, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ, গরীব অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতার মাধ্যমে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চলমান রেখেছি।

 

একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করার জন্য প্রয়োজন এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী কর্তৃক শিক্ষা দান করা হয় এবং সততা, শৃংখলা ও নৈতিকতার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়। কেবলমাত্র সুশিক্ষাই পারে কোন ব্যক্তির জীবন ধারার পরিবর্তন করতে। আর এজন্য প্রয়োজন সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ। শিক্ষার মহৎ লক্ষ্য সাফল্যমন্ডিত তখনই হতে পারে যখন ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের ঐকান্তিক প্রচষ্টা থাকে। আর এ তিনের সমন্বই আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। গাজীপুরের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এড, আজমত উল্লাহ্ খানের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি, বিদ্যালয়ের এই সাফল্য উনারা পাশে থাকাতে আরো অধিক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য আত্মমর্যাদা বোধ সম্পন্ন সৎ, মেধাবী ও নিয়ত পরিবর্তনশীল বিশ্বের আধুনিকতম জ্ঞানের অধিকারী মানুষ তৈরী করা। আমি আশারাখি সকলের সহযোগীতা ও ভালোবাসা থাকলে সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ আগামী দিন গুলোতে আরো সাফল্য বয়ে আনবে।

টুয়েন্টিফোর বাংলাদেশ নিউজ/এসকে
আরও পড়ুন