প্রেমের ভালোবাসার আরাক নাম ভালোবাসার প্রতারণা হাতিয়ে নিয়েছে 6 লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পটুয়াখালী সদর থানা / ছোট বিঘই ৯/নং ইউনিয়া বাসিন্দা আনোয়ার হাওলাদার ছেলে /আবু সালেহ/গ্রাম পশ্চিম মাটিভাংগা ডাকঘর মাটিভাংগা ওয়ার্ড নং ৭/ পটুয়াখালী সদর থানা -আবু সালেহ ফোনালাপ এর মাধ্যমে প্রেম ভালোবাসা ফাদে ফেলে ২০১৮ সালে একপর্যায়ে ভালোবাসায় রূপ নেয় বিবাহ বন্ধনে নতুন সংসার জীবন সাজায় ২০২০ সাল সংসার জীবনে গর্ভপাত হলে বাচ্চা নষ্ট করে ফেলে আবু সালে একটি কোয়ালিটি কোম্পানিতে চাকরির অবস্থান এই চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় আরেকটি কোম্পানিতে লাভেলো আইসক্রিম কোম্পানি এরিয়া ম্যানেজার হিসাবে যোগদান করেন ডিলারশিপ নিতে নগদ ক্যাশ প্রয়োজন ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা আবু সালেহর স্ত্রী আসমাকে বিষয়ে অবগতি করে তুমি কিস্তির মাধ্যমে টাকা তুলে দাও কিস্তি আমি পরিশোধ করে দেবো প্রাণপ্রিয় স্বামীর কথা শুনে বিভিন্ন ব্যাংক এনজিও ব্রাক ব্যাংক আশা বুরু বাংলা মানুষের কাছ থেকে মাসিক লাভে ও টাকা এনে দেয় প্রাণপ্রিয় স্বামীর হাতে স্বামী যে তার সাথে প্রতারণা করবে সে বিষয়ে আসমা কখনোই বুঝে উঠতে পারেনি এমত অবস্থায় কিছুদিন চলার ফেরার পরে ২০২৫ সালের ২৬ সালের জানুয়ারিতে আবু সালেহ ঢাকা থেকে মাদারীপুর চলে যেয়ে থাকেন তার স্ত্রীকে বলে আমাকে মাদারীপুর দিয়েছে ডিবি আমাকে গ্রেফতার করেছে এই মিথ্যা কথা বলে স্ত্রীর সঙ্গে ফোন করে প্রাণপ্রিয় স্বামী বিপদের কথা শুনে দেখার জন্য ছুটে যায় মাদারীপুর থানা স্বামীর বিপদের কথা শুনলে যেকোনো নারীর ছুটে চলে যাবে স্বামীকে এক নজর দেখার জন্য আসমা মাদারীপুর থানায় খোঁজ নিয়ে দেখে এই নামে কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি পরে ২৬ সালের জানুয়ারিতে আবু সালেহ হাতের মুঠোফোন বন্ধ করে দেয় তখন তার স্ত্রী আসমা ভাবতে পারছে যে তার সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে এমত অবস্থায় আবু সালেহ ১/বড় ভাই মোজাম্মেল হক কে তার মুঠোফোনে ফোন করে জানায় ২/ছোট ভাই ইয়ামিন কে ফোন করলে বিষয়টা জানায় এড়িয়ে যায় ৩/বোন জামাই রুহুল আমিনকে অবগতি করিলে বিষয়টি ধামাচাপা দেয় সবকিছু রুহুল আমিন জানতে মনে হচ্ছে তার কথাই ইঙ্গিত পাওয়া যায় দেখা যায় এরা সকলেই ফ্যামিলির চিটারি একটা চক্র এটার মাস্টার মেইন রুহুল আমিন তার বোন জামাই যখনই প্রথম স্ত্রী আসমা সকলকে অবগতি করার পরেও তারা ছাপ জানিয়ে দেয় আসমাকে আবু সালেহ নাকি বিয়ে করেছে বড় বিঘই মামাশ্বশুর রাজিপের ভাগ্নি জান্নাত কে দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি লাগে আইনে বলা আছে এই রাজিব একসময় যুবলীগ করতেন তার দাপটি এলাকাবাসী অতিষ্ঠ যখনে সে জানতে পারছে আবু সালেহ প্রথম স্ত্রী আছে আসমা আসমাকে ফোনের মাধ্যমে বিভিন্নো রকমের হুমকি দিয়ে আসছে সে যেনো স্বইচ্ছায় সরে যায় আইন তো সবার জন্য সমান প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করছে ৮/থেকে ৯/ বছর বিয়ে করা অবস্থায় কামিন তার ভোটার আইডি কার্ড জন্ম নিবন্ধন সব কিছুই সে গোপনতা রাখিয়াছে তাই হুজুর ডেকে বিয়ে করেছে শরীয়ত মোতাবেক সংসার করছে কিন্তু সে ডকুমেন্টস রাখে নাই কামিন নাম এই প্রতারণা শিকার হয়ে আসমা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করার পরেও না পেয়ে তার প্রাণপ্রিয় স্বামীর নামে ডায়েরী করে জিডি নং ২৫৮ /তারিখ- ৩/ ৪/২০২৬ ইং জিডি মাধ্যমে পটুয়াখালীতে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় খোঁজ পাওয়ার পর থেকেই তার জীবনে নেমে আসে বিভিন্ন ধরনের হুমকি রাত্র দুইটা নাই তিনটা নাই বিভিন্ন নাম্বার থেকে তাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে আসতে আছে দ্বিতীয় স্ত্রীর লোকজনে পটুয়াখালী সদর থানার এসআই বিল্লাল প্রথম স্ত্রী আসমাকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে রাত্র দুইটা আড়াইটা বেশ কিছু দিন হুমকি দিতে রয়েছেন তাকে ডাকা হচ্ছে পটুয়াখালী সদর থানার গোল ঘরে বসবেন ঘটনা ঘটেছে ঢাকা সাভার জামগড়ায় সেখানে আসতে রাজি না তারা এমত অবস্থায় প্রথম স্ত্রী আসমা বিষয়টা সাংবাদিকের সঙ্গে আলোচনা করেন সাংবাদিক আবু সালেহ বাবা আনোয়ার হাওলাদারের মুঠো ফোনে ফোন করে তার ছেলের বিষয়টা জানালে সে বলে বিষয় চুপ থাকার জন্য আবু সালেহ ফুভা আলমগীর মাস্টারকে এই বিষয়ে অবগতি করিলে সে এড়িয়ে যায় বলেন বোন জামাই রুহুল আমিন কে বলেন উনি এ বিষয়ে সমাধান করে দিতে পারবেন এই রুহুল আমিন এক সময় আওয়ামী লীগের দাপটে পটুয়াখালীতে চুষে বেড়াচ্ছে মানুষকে মানুষ মনে করে নাই এখনো সে সেই প্রভাব খাটাচ্ছে রুহুল আমিনের ফোনে ফোন দিলে সে সাংবাদিকে হুমকি দেয় প্রমাণ থাকলে নিয়ে আসেন পটুয়াখালীতে আসতে হবে কে এই রুহুল আমিন সেকে আইনের ঊর্ধ্বে বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে দেখার চোখ রাখেন
