মোঃ আশরাফুল সরকার, পিতা মোঃ আজাদ সরকার। বসত ভিটা, বোনার পাড়া স্টেশন এর পাশে , গাইবান্ধা।
আশরাফুল বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতা কর্মীদের আশ্রয় , প্রশয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতায় বিমানবন্দর থানা এরিয়ায় চাঁদাবাজি সহ জড়িত ছিল বিভিন্ন অপকর্মের সাথে।
তাহার উত্তর খুঁজতে মাঠে নামে গণমাধ্যম কর্মীর এক ঝাঁক চৌকস ক্রাইম অনুসন্ধানী টিম। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আশরাফুল বিমান বন্দর রেল স্টেশনের হাজী ক্যাম্প রেল ক্রসিং এ গেটম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। সেই সুবাদেই তিনি বিমানবন্দর রেলস্টেশন এরিয়ায় গড়ে তুলেছে চাঁদাবাজি এবং মাদক সিন্ডিকেট।
ইতিমধ্যে , আশরাফুলের আকাম , কূকামের কিছু ফুটেজ মিডিয়া কর্মীদের হাতে এসে পৌঁছেছে । সে রেলওয়ের আইন ও ধারা অমান্য করে ডিউটি ফাঁকি দিয়ে নিজের দোকানে দাঁড়িয়ে তরমুজ বিক্রি করছে,
দেখা যায় , আশরাফুলের পরিবর্তে গেট ম্যানের দায়িত্ব পালন করছে অন্য লোক। এভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করার পরেও আশরাফুলকে তাহার ডিউটি রত জায়গায় পাওয়া যায় নি। স্টেশন এলাকায় আশরাফুলের দুইটা ফলের দোকান, আশরাফুলের বাবা আজাদের দুইটা ফলের দোকান, আশরাফুলের ছোট ভাই রানার দুইটা ফলের দোকান।
তিনটি দোকান বাপ , বেটা মিলেই পরিচালনা করে কিন্তু বাকি তিনটি দোকান অন্য জনের কাছে ভাড়া দিয়ে মোটা অংকের টাকা অগ্রিম নিয়েছে আশরাফুল।
আশরাফুল প্রতিমাসে ভাড়া পাই ২১,০০০ (একুশ হাজার) টাকা । আজাদ প্রতি মাসে ভাড়া পাই ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা । রানা প্রতি সপ্তাহে ভাড়া পাই ৭,৫০০ (সাত হাজার পাঁচশত) টাকা। টাকা দিতে কেউ গড়িমসি করলে গুন্ডা বাহিনী এবং প্রশাসন দিয়ে করে হেস্তা, নেস্তা।
একাধিক সূত্রে জানা নাই আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন আশরাফুলের দাদা। তাহার নেতৃত্বে ৫ ই আগস্ট ২০২৪।
আশরাফুল , আওয়ামী গুন্ডা বাহিনী নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ছাত্র জনতার উপরে , সেই দৃশ্য নাই কাহারো অজানা , আশরাফুলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে অনেক ভুক্তভোগী। আশরাফুলের ভাই রানা, রাজধানী ঢাকার মাদক এর জন বড় ডিলার। ক্যারি ম্যান রেলওয়ে এই গেট ম্যান আশরাফুল। সাক্ষীদের
মধ্যে অন্যতম ১/মোহাম্মদ কবির হোসেন ২/মোহাম্মদ সুজন ৩/মোহাম্মদ মোক্তার ৪/মোহাম্মদ রফিক ৫/মোহাম্মদ আল আমিন ৬/মোহাম্মদ রবি ৭/মোহাম্মদ শাহিন ৮/মোহাম্মদ সাইদুল ৯/মোহাম্মদ আনোয়ার ১০/মোহাম্মদ সুমন ১১/মোহাম্মদ মহসিন ১২/মোহাম্মদ তন্ময় /১৩/মোহাম্মদ জহির ১৪/মোহাম্মদ সোহাগ ১৫/মোহাম্মদ নাঈম ১৬/মোহাম্মদ আনিচ ১৭/মোহাম্মদ আলতাফ ১৮/মোহাম্মদ বাবু ১৯/মোহাম্মদ রাসেল ২০/মোহাম্মদ ওয়াজি ।
সূত্রে বলছে , বর্তমানে আশরাফুল বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে আতাত করে প্রশাসনিক ছত্র ছায়ায় থেকে এখনো বিমান বন্দর স্টেশন এলাকায় তাহার মাদক সাম্রাজ্য এবং চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে।
আশরাফুল বদলি বিহীন বছরের পর বছর ধরে বিমানবন্দর স্টেশনে কর্মরত। স্টেশনের বড় বাবুদের কে ম্যানেজ করেই মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে একই স্থানে চাকরি করার কারণেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।
